টেলিগ্রামের প্রতিষ্ঠাতা পাভেল দুরভের জীবনের গল্প

টেলিগ্রামের প্রতিষ্ঠাতা , টেলিগ্রামের প্রতিষ্ঠাতা পাভেল দুরভের জীবনের যাত্রা বা তার জীবনের গল্প। ১৯৮৪ সালে পাবেল দুরভ সোভিয়েত ইউনিয়নে জন্মগ্রহণ জন্মগ্রহণ করেন। ছোটবেলা থেকেউ কোডিং এর প্রতি তার ব্যাপক আগ্রহ ছিল আবার মনে মনে চাইতেন উদ্যেক্তা হবেন।

এই দুই বিষয়ে তাকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম তৈরিতে উতসাহ দেয়। ২০০৬ সালে মাত্র ২১ বছর বয়সে এসে তিনি ভিকটে বা ভিকে নামের একটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম তৈরি করেন। খুব অল্প সময়ে রাশিয়ার ফেসবুক হিসেবে পরিচিতি হয় তার তৈরি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম।

টেলিগ্রামের প্রতিষ্ঠাতা পাভেল দুরভ হচ্ছে রাশিয়ান উদ্যোক্তা এবং টেকনোলজি বিশেষজ্ঞ। তিনি ১৯৮৪ সালের ১০ই অক্টোবর রাশিয়ার সেন্ট পিটার্সবার্গে জন্মগ্রহণ করেন।

পাভেল দুরভ টেলিগ্রামের পাশাপাশি রাশিয়ার একটি জনপ্রিয় সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম, ভকন্টাক্টের (VK) প্রতিষ্ঠাতা। তবে, ভকন্টাক্টে তার বিতর্কিত সম্পর্কের কারণে তিনি ২০১৪ সালে কোম্পানিটি থেকে বেরিয়ে যান।

পাভেল দুরভের মূল লক্ষ্য ছিল একটি নিরাপদ, দ্রুত এবং স্বাধীন বার্তা প্রেরণ সেবা প্রদান করা। ২০১৩ সালে তিনি টেলিগ্রাম চালু করেন, যা আজকের দিনে একটি নিরাপদ এবং গোপনীয়তা রক্ষাকারী মেসেজিং অ্যাপ্লিকেশন হিসেবে পরিচিত।

তার নেতৃত্বে টেলিগ্রাম বিভিন্ন নতুন ফিচার এবং উন্নত সিকিউরিটি ব্যবস্থা যোগ করেছে, যা বিশ্বব্যাপী মিলিয়ন মিলিয়ন ব্যবহারকারীর আস্থা অর্জন করেছে।তিনি পরিচিতি পান রাশিয়ায় মার্ক জাকারবার্গ হিসেবে।

প্রথম থেকেই বাক স্বাধীনতা নিয়ে সচেতন ছিলেন দুরভ। ২০১১ সালে রাশিয়ান ফেডারেল সিকিউরিটি তার কাছে বিরোধী দলীয় ব্যক্তিদের ব্যক্তিগত তথ্য চেয়েছিল। কিন্তু পাভেল তা দিতে অস্বীকৃতি জানান এতে রাশিয়ার সামরিক বাহিনী তাকে বাকা চোখে দেখতে শুরু করেন।

তার নেতৃত্বে টেলিগ্রাম বিভিন্ন নতুন ফিচার এবং উন্নত সিকিউরিটি ব্যবস্থা যোগ করেছে, যা বিশ্বব্যাপী মিলিয়ন মিলিয়ন ব্যবহারকারীর আস্থা অর্জন করেছে।পরে তিনি তার শেয়ার মাত্র ৩০০ বিলিয়ন ইউরোতে বিক্রি করে দিতে বাধ্য হন।

হাতে মেহেদী পড়িয়ে আয় লাখ টাকা !

Leave a Comment