বাংলাদেশী ফুটবলার হামজা চৌধুরির পরিচয়

হামজা চৌধুরির পরিচয় হামজা চৌধুরির পরিচয়

তিনি জন্ম ইংল্যান্ডের লেস্টার শহরে হলেও, শৈশবের অনেকটা সময় বাংলাদেশে কাটিয়েছেন। তার মা বাংলাদেশী এবং তার জন্মদাতা পিতা একজন গ্রেনেডিয়ান নাগরিক। যখন তার নয়  মাস সিলেট প্রবাসী গোলাম মোর্শেদ চৌধুরী সাথে  হামজার মায়ের বিয়ে হয়। তাদের দুই জনের বাড়ি সিলেটের হবিগঞ্জ জেলায়। ছোটবেলা থেকেই বেশ দুরন্ত স্বভাবে ছিল হামজা। সেই সাথে ফুটবলের প্রতি ছিল বিশেষ আগ্রহ।পাঁচ বছর বয়সে হামজেকে লাভ বৌরা ফুটবল ক্লাবে ভর্তি করানো হয়।

ছয় বছর বয়সে এক ম্যাচ খেলতে গিয়ে নটিংহাম ফরেস্ট ক্লাবের চোখে পড়েন হামজা। কিছুদিন পর লেস্টার সিটির এজেন্টদের নজর করেন বাংলাদেশী এই ফুটবলার। দুই দল তাকে নিতে আগ্রহী দেখালেও শেষ পর্যন্ত লেস্টারের ট্রেনিং ক্যাম্পে যোগ দেন হামজা। স্কুল ছুটির পর সপ্তাহে দুদিন করে ট্রেনিং আর শনি রবিবার ম্যাচ।হামজা চৌধুরির পরিচয়

২০১৩ সালে জিপিএসসি সম্পন্ন করার পর লেস্টার সিটি একাডেমিতে দুই বছরের বৃত্তি পান হামজা। ফুটবল প্রশিক্ষণের পাশাপাশি খুদে হামজার পড়াশোনার দায়িত্ব নেয় তারা। বয়স ১৮ হওয়ার পর হামজার সাথে চুক্তি হয় লেস্টার সিটির। ২০০৫ থেকে ২০১৪ পর্যন্ত এই ইংলিশ ক্লাবটির যুবদলে খেলেন হামজা। ২০১৫ সালে লেস্টারের মূল দলে তার অভিষেক এবং ক্লাবটির হয়ে প্রিমিয়ার লিগে দুটি শিরোপা জিতেছেন এই ডিফেন্সিভ মিডফিল্ডার।

২০২১ সালে ইংলিশ এফ এ কাপ এবং ২০২২ সালে ইংলিশ সুপার কাপ জিতেছেন তিনি। লেস্টারের সিনিয়র দলে যোগ দেওয়ার আগে অধিনায়কত্ব করেছেন ক্লাবটির অনূর্ধ্ব ২৩ দলে। ইংল্যান্ড অনূর্ধ্ব ২১ দলের জার্সিতেও ৭ টি ম্যাচ খেলেছেন বাংলাদেশের এই তারকা ফুটবলার।হামজা চৌধুরির পরিচয়

লেস্টার সিটি ছাড়াও কিছুদিন ধরে “বার্টন অ্যালবিয়নে ওয়াটফোর্ড” ক্লাবে খেলেছেন হামজা। মাঝমাঠের খেলোয়াড় হলেও রক্ষণভাগেও  খেলতে সক্ষম ২৭ বছর বয়সী ইয়াং প্লেয়ার। একইসাথে ডিফেন্সিভ মিডফিল এবং রাইট ব্যাক দুই পজিশনেই সামলানোর দক্ষতা রয়েছে তার।হামজা চৌধুরির পরিচয়।

পারিবারিক জীবনে মা বাবা ছাড়াও হামজার তিনজন ভাই-বোন রয়েছে। ২০১৬ সালে ইংলিশ ইন্টেরিয়র ডিজাইনার অলিভিয়া ফাউন্টেন এর সঙ্গে পরিচয় হয় ফুটবলার হামজার। পরের বছর  অলিভিয়া খ্রিস্টান ধর্ম ত্যাগ করে ইসলাম ধর্ম গ্রহণের পর বিয়ে করেন তারা। সাংসারিক জীবনে তাদের একটি ছেলে ও একটি মেয়ে সন্তান রয়েছে।

ব্রাজিলের হলুদ জার্সির ইতিহাস

Leave a Comment