ভাষা আন্দোলনে শহিদ রফিকউদ্দিন

ভাষা আন্দোলনে শহিদ রফিকউদ্দিন… ভাষা আন্দোলনে শহিদ রফিকউদ্দিন

শহিদ রফিকউদ্দিন ( ৩০ অক্টোবর, ১৯২৬-২১ ফেব্রুয়ারি, ১৯৫২)। শহিদ রফিক উদ্দিন মানিকগঞ্জের সিঙ্গাইর উপজেলার পারিল গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি ছিলেন পূর্ব পাকিস্তানের ভাষা আন্দোলনের প্রথম শহিদ। তার পিতার নাম আবদুল লতিফ ও মাতার নাম রাফিজা খাতুন। তার পিতা আববদুল লতিফ ছিলেন একজন ব্যবসায়ী। তিনি কলকাতায় ব্যবসা করতেন। ১৯৪৭ সালে দেশভাগের পর রফিকউদ্দিনের পিতা ঢাকায় চলে আসেন। তিনি এখানে বাবুবাজারে আকমল খাঁ রোডে পারিল প্রিন্টিং প্রেস নামে ছাপাখানা চালু করেন। in short

রফিকউদ্দিনের শৈশবের পড়ালেখা শুরু কলকাতার মিত্র ইনস্টিটিউটে। এর পরে তিনি ভর্তি হন in short মানিকগঞ্জের বায়রা স্কুলে। বায়রা স্কুল থেকে ১৯৪৯ সালে ম্যাট্রিক পাস করে রফিকউদ্দিন মানিকগঞ্জ দেবেন্দ্রনাথ কলেজে বাণিজ্য বিভাগে ভর্তি হন। আই. কম. ক্লাস পর্যন্ত পড়লেও পরে পড়াশোনা বন্ধ হয়ে যায়। এরপর তিনি ঢাকায় এসে পিতার সঙ্গে প্রেস পরিচালনা করতে শুরু করেন। পরে আবার জগন্নাথ কলেজে ভর্তি হন। ১৯৫২ সালে তিনি জগন্নাথ কলেজের ছাত্র ছিলেন।

ঘটনার সময় শহিদ রফিকের বয়সছিলো ২৬ বছর। পুলিশের লাঠিচার্জ ও কাঁদানে গ্যাসের কারণে ছাত্ররা in short বিশ্ববিদ্যালয় ছেড়ে ঢাকামেডিকেল কলেজ ব্যারাকে আশ্রয় নেওয়ার সময় তাদের সঙ্গে ছিলেন রফিক। গুলিতে তার মাথার খুলি উড়ে যায়। মাটিতে লুটিয়ে পড়ে তখনিই মারা যানা তিনি। মেডিকেল হোস্টেলে ১৭ নভেম্বর রুমের পূর্ব দিকে তার লাশ পড়েছিল ছয়-সাত জন ধরাধরি করে তার লাশ এনাটমি হলের পেছনের বারান্দায় এনে রাখেন।

মহান ভাষা আন্দোলনে আত্মত্যাগের জন্য সরকার ২০০০ সালে তাঁকে একুশে পদক (মরণোত্তর) প্রদান করেন। এছাড়াও তাঁর গ্রামের নাম পরিবর্র্তন করে রফিক নগর রাখা হয়। জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে একটি ভবনের নামকরণ করা হয়- ‘ভাষা শহিদ রফিক ভবন’ । in short

বাসর রাতে করণীয় কী? বা প্রথমবার সেক্স করার নিয়ম

Leave a Comment