মেহেদী পড়িয়ে আয়, মেহেদী পড়িয়ে আয়
হাতে মেন্দী আকিয়ে মাহমুদা সুলতানা নাইমা মাসে আয় করেন লাখ টাকা। চেয়েছিলেন মেহেদী আর্টিস্ট হতে। ক্লায়েন্টদের থেকে ভালো সাড়া পাওয়ায় এটিকেই পেশা হিসেবে বেছে নিয়েছেন। তার শুরুটা হয়েছিলো মেহেদীর প্রতি শখ থেকে। তিনি ছোটবেলা থেকেই ভালো আর্ট করতে পারতেন।
তিনি চাইতেন নতুন ডিজাইনে মেহেদী আর্ট করতে যা দেখতে হবে সিল্কি। তিনি শুরুতে মেহেদী দিয়ে ডিজাইন করে প্র্যাকটিস করতেন। সবচেয়ে ভালো যেটি হতো সেটি দিয়েই কাজ করতেন। এত তার কাস্টমাররা খুশি হতেন।

তারপর থেকে নাইমার ইচ্ছা হয় কৃত্রিম রাসায়নিক মেহেদীর পরিবর্তে অর্গানিক মেহেদী নিয়ে কাজ করার। মেহেদীর পাশাপাশি নাইমার শাড়ির ব্যবসাও আছে। ২০২০সালে করোনা কালে মাত্র ৪৯০০ টাকা নিয়ে তিনি শাড়ির ব্যবসা শুরু করেন।
বিভিন্ন ডিজাইনের শাড়ি, কাপল সেট, হিজাব ও ব্লাউজ বিক্রি করেন তিনি। নাইমা জানান তার ব্যবসার মুল মন্ত্র হলো সততা। তিনি মেহেদী আগে নিজে ব্যবহার করে তারপর ক্রেতাদের কাছে পৌছান। নাইমার ইচ্ছা ভবিষ্যতে শাড়ি ও মেহেদীর জন্য আলাদা স্টুডিও করা ।
মেহেদী পড়ানোর সরঞ্জাম:
১। বাজারথেকে প্রস্তুত মেহেদী ক্রয় করা যেতে পারে অথবা আপনি নিজে তৈরি করতে পারেন।
২। প্লাস্কিক ব্যাগের মধ্যে ভর্তি করে খুব ভালো করে সূক্ষভাবে হাত বা পায়ে পড়ানো যায়।
৩। কাপড় বা টিস্যু পেপার ব্যবহার করা যাতে অতিরিক্ত মেহেদী মুছে ফেলা যায়।
৪। চিনি ও লেবুর মিশ্রণ পানি ব্যবহার করা। মেহেদীর রঙ আরও গাড় করতে ও স্থায়ী করতে লেবু ও চিনি মিশ্রিত পানি ব্যবহার করা হয়।
৫। বেবি অয়েল বা সোয়াবিত তেল ব্যবহার করা। মেহেদী শুকানোর পর ত্বকের রং আরও ভালোভাবে ফুটে উঠবে।
ডিজাইন বেছে নেওয়া:
- ফুল: সাধারণত গোলাপ, সূর্যমুখী বা লতার ডিজাইন ব্যবহার করা।
- জ্যামিতিক ডিজাইন যেমন, ত্রিভূজ, বৃত্ত বা লাইন ডিজাইনও জনপ্রিয়।
- বাংলা স্টাইল যেমন মেহেদী ডিজাইনে বাংলা অক্ষর বা ঐতিহ্যবাহী নকশাও থাকতে পারে।
- মেহেদী লাগানোর পরে তা পুরোপুরি শুকিয়ে যেতে দিতে হবে। সাধারণত ২৫-৩৫ মিনিট।বা এক ঘন্টা সময় নেয়।
- যদি কনফিউশন থাকে, তাহলে সেটি ধীরে ধীরে মোছার চেষ্টা করা, যাতে মেহেদী শুকানোর পর ভালোভাবে রং দেখাতে পারে।