ইয়াজুজ- মাজুজের ধ্বংসলীলা

ইয়াজুজ মাজুজ যেভাবে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছিল। জুলকারনাইনের মহাপ্রাচীর ধ্বংস হয়ে যাওয়ার পর ইয়াজুজ- মাজুজ পঙ্গপালের ন্যায় ঝাকে ঝাকে বেরিয়ে আসবে এই বিশ্ব জগতে। সংখ্যায় এরা এত অধিক হবে যে, এদের প্রথম দলটি যখন ‘তাবরীয়া উপসাগরে’ পৌঁছবে, তখন এর পানি পান করে একেবারে শুকিয়ে ফেলবে। তাবরীস্তান-এর চৌকোণা বিশিষ্ট একটি সাগর, যাকে তাবরীয়া উপসাগর বলা হয়।

তাবরীয় উপসাগরের প্রস্থ সাত সাত বা দশ দশ ক্রোশ পর্যন্ত বলা হয়ে থাকে। আর এর  গভীরতার কোন পরিসীমা নেই। ইয়াজুজ মাজুজের প্রথম দলটি এই সাগর অতিক্রম করার পর দ্বিতীয় দলটি এখানে পৌছবে, তখন তারা মন্তব্য করবে, কোন কালে হয়ত এখানে পানি ছিল।

এই সুন্দর পৃথিবীতে ছড়িয়ে পড়ে এরা সর্বত্র জুলুম, নির্যাতন, হত্যাযজ্ঞ ও ধ্বংসলীলায় মেতে উঠবে। এদের নির্যাতনের ভয়ে সমগ্র বিশ্বজগত আতঙ্কগ্রস্থ থাকবে। যাকে সামনে পাবে, তাকেই নির্বিচারে বন্দী করবে। এমনই ভয়ানকরূপ ধারণ করেই এরা সামনের দিকে অগ্রসর হতে থাকবে। শেষমেশ এরা সিরিয়ায় পৌঁছে বলতে শুরু করবে- পৃথিবীবাসীর ধ্বংস তো ইতিমধ্যেই চূড়ান্ত করে ফেলেছি।

চল ! এখন আসমানওয়ালেদের সর্বনাশে মেতে উঠি। এ কথা বলেই তারা আকাশের দিকে তাক করে তীর নিক্ষেপ করতে শুরু করবে। আল্লাহ তা’আলা ও এ সময় তাদেরকে কুদরতি লীলা দেখাবেন। তাদের নিক্ষিপ্ত তীর যখন আকাশ থেকে ফিরে আসবে, তাতে পরিষ্কার তাজা লাল রক্ত মাখানো থাকবে। রক্তাক্ত তীর দেখে তারা আনন্দের উন্মত্যতায় আকাশ- বাতাস প্রকম্পিত করে তুলবে। খুশিতে আত্মহারা হয়ে বলতে থাকবে, এখন তো আমাদের ছাড়া আর কেউ রইল না।

জুলকারনাইনের মহাপ্রাচীর ভাঙ্গছে ইয়াজুজ মাজুজ

ড.আসিফ নজরুলের সাহসিকতার পরিচয়

Leave a Comment