জুম’য়ার দিনের আমল সম্পর্কে রাসূলুল্লাহ (সা:) যা বলেন

জুম’য়ার দিনের আমল ,জুম’য়ার দিনের আমল

জুমার দিনের প্রতি কদমে সওয়াব রাসূলূল্লাহ (সা:) বলেছেন: যে ব্যক্তি জুম’য়ার দিনে ( স্ত্রী সহবাসজনিত ) গোসল করলো এবং সকাল সকাল যানবাহন ছাড়া পদব্রজে মসজিদে এসে ইমামের কাছাকাছি বসলো…. মনোযোগ সহকারে প্রথম থেকে খুতবাহ শুনলো এবং অনর্থক কিছু করলো না… তার জন্য প্রতি কদমে এক বছরের রোযা রাখা ও তার রাত জেগে নামাজ পড়ার সমান সওয়াব রয়েছে। (গ্রন্থ: সুনানে ইবনে মাজাহ১০৮৭)

এছাড়াও বলা হয়েছে যে ব্যক্তি জুময়ার দিনে সর্বপ্রথম মসজিদে প্রবেশ করবে সে গরু বা উট কুরবানী করার সওয়াব পাবে… যে ব্যক্তি ২য় তে মসজিদে প্রবেশ করবে সে ছাগল কুরবানী করার সাওয়াব পাবে। এছাড়াও আর আমল রয়েছে যেগুলো আমাদের মেনে চলা উচিত। কারণ জুম’য়ার দিন গরিব মিসকিনদের হজের দিন।

জুমার দিনে যদি কোন ব্যক্তি সকাল সকাল গোসল করে ও তার পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন উত্তম পোশাক পরিধান করে, গোসল করবে ফরজ গোসলের মতো। আতর সুগন্ধি খোসবো তার সামর্থ অনুযায়ী ব্যবহার করে ,তারপর পায়ে হেটে হেটে মসজিদে আসে বাহনে চড়ে নয় পায়ে হেটে যেতে,যদি আপনি অনেক দূরে থাকেন তাহলে আলাদা কথা এবং ইমামের কাছাকাছি বসে, ইমামের খুদবা মনোযোগের সাথে শ্রবন করে তাদের জন্য হযরত মুহাম্মদ (স:) বলেছেন প্রত্যেক পদক্ষেপের বিনিময়ে একবছরের নফল নামাজ আর এক বছরের রোজার নেকি লেখা হয়।

জুমার এই সমস্ত নেকি নস্ট হয়ে যাবে যদি আমরা আমাদের নির্দেশীত আদব, কায়দা, ও নিয়ম নিতি রক্ষা করতে না পারি।

যে কাজগুলো পালন করবেন

Leave a Comment