প্রথমবার সেক্স করার নিয়ম,প্রথমবার সেক্স করার নিয়ম
আপনি কি প্রথমবার সেক্স করতে যাচ্ছেন তাই আপনি বুঝে উঠতে পারছেন না আপনার ঠিক কি করা উচিত। যদি আপনি ফার্স্ট টাইম আপনার পার্টনারের সাথে সেক্স করার কথা ভাবছেন তাহলে এই কয়েকটি বিষয় মাথায় রাখতে হবে। ১) কনসেন্ট ২) কমফর্ট ৩) কনডম। প্রথমেই আমরা আলোচনা করবো কনসেন্ট এর ব্যাপারে….
১) কনসেন্ট: কনসেন্ট মানে হচ্ছে সম্মতি। তো করার সময় কখনোই কিন্তু জোর্যবস্তি করে করা উচিত নয়, কারণ দুজনের সমান ইচ্ছেতেই সম্পূর্ণ মিলন হয়। তাই করার আগে নিজের পার্টনারের অনুমতি নেওয়া খুবই প্রয়োজন। এটা জানা প্রয়োজন আপনি যেটা করতে চাইছেন সেটা আপনার পার্টনারও করতে চাইছে কিনা। আপনাকে স্টেপ বাই স্টেপ এগোতে হবে। এর জন্য আপনার পার্টনারের ব্যাপারে প্রথমে আপনাকে কিছু ভালো ভালো কথা বলতে হবে ,তারপরে আপনার পার্টনারের হাত ধরতে হবে তারপর তাকে একটা কিস করার অনুমতি চাইতে হবে।
ধীরে ধীরে তার উত্তেজনা বাড়ানোর চেষ্টা করতে হবে। এতে আপনার পার্টনার রাগ করবে না। অনেক সময় অনেকের সাথে সেকসুয়াল অ্যাসল্ট হয়ে থাকে মানে ইচ্ছার বিরুদ্ধে করা হয়ে থাকে সেটা রিলেশন শিপেও হতে পারে বা ম্যারেজ লাইফেও হতে পারে।তাই ছেলেহোক বা মেয়ে দুজনকে বেসিক সন্মানটুকু রাখতে হবে। এ রকম করলে আপনি যেটা আপনার পার্টনারের কাছ থেকে চাইছেন সেটা পেতে পারেন। এতে সব ঠিকঠাক ও থাকবে আর সব আরামদায়ক থাকবে।
২। কমফর্ট ফিল: যদি আপনি সহবাসের সময় কমফোর্টেবল ফিল না করেন। যদি আপনি রিলাক্সে না থাকেন, যদি আপনি স্ট্রেসে থাকেন তাহলে আপনার ব্লাড প্রেসার বেড়ে যাবে। এতে আপনার শরীরের যে ব্লাড ভেসেলগুলো রয়েছে সেগুলো কিন্তু রিলাক্স হতে পারবে না। এই কারণে আপনার লিঙ্গ সঠিকভাবে দাড়াবেনা আর আপনার সহবাসের সমস্যা তৈরি করবে। কিন্তু যদি আপনি রিলাক্সে থাকেন কমফোর্টেবল থাকেন তাহলে আপনার লিঙ্গে েইরেকশন এমনভাবে আসবে, আপনার উত্থান এমনভাবে আসবে যে আপনার ব্লাড ভেসেলগুলো ওপেন হয়ে যাবে। আর আপনার লিঙ্গে ব্লাড জমা হয়ে যাবে আর সেগুলো সেখানেই ট্র্যাপ হয়ে যাবে। এতে করে লিঙ্গ শক্ত হয়ে যায়, লিঙ্গ দাঁড়িয়ে যায় আর সহবাসে কোনরকম সমস্যা হয় না। তাই সব সময় আপনাকে কমফোর্টেবল থাকতে হবে এবং রিলাক্সে থাকতে হবে।
মেয়েদের ক্ষেত্রে তাদের যে পেলভিক ফ্লোর রয়েছে, বা ভ্যাজােইনার ওপেনিং রয়েছে সেটা টাইট হয়ে যায় কারণ স্ট্রেসের কারণে বডির মাসেলগুলো টাইট হয়ে যায়, তার সঙ্গে মেয়েদের পেলভিক ফ্লোরও টাইট হয়ে যায়। এতে সেক্স পেইনফুল হতে পারে। এই সঙ্গে মেয়েদে র ভ্যাজাইনা যখন নরমাল অবস্থাতে থাকলে, তখন চ্যাপ্টা হয়ে যার । কিন্তু মেয়েরা যখন উত্তেজিত হয় তখন মেয়েদের ভ্যাজােইনা একটু ফাঁক হয়ে যায় এবং ভেতরে অনেকটা স্পেস তৈরি করে। কারণ ব্রেনের রিয়েকশন হয় যে পেনিস মানে লিঙ্গ ভেতরে আসতে চলেছে এবং তখনই মেয়েদের প্রাইভেট পার্ট থেকে লুব্রিকেশন বের হয়।
৩) কন্ডম ব্যবহার:সহবাসের সময় কন্ডম ব্যবহার করা খুবই জরুরী। কারণ আপনি কখনোই চাইবেননা প্রথমবার সহবাস করে আপনার বাচ্চা হয়ে যাক। কন্ডম এমন একটি জিনিস যেটা কিনা আমাদের আনওয়ান্টেড প্রেগনেন্সির হাত থেকেই বাঁচায় না বরং সেক্সুয়াল ট্রান্সমিটেড ইনফেকশনের হাত থেকেও আমাদেরকে বাঁচায়। সেক্সুয়াল ট্রান্সমিটেড ইনফেকশন মানে হচ্ছে সেক্সের যারা ছড়ানো ইনফেকশন, যেরকম এইচ আই ভি, এইচডি আই, এইচ ভি পি, ইত্যাদি হতে পারে। আপনি ওরাল সেক্স করুন বা ভ্যাজাইনা সেক্স আপনাকে অবশ্যই কন্ডম ব্যবহার করতে হবে। কারণ এইচটিআই যে কোনো ভাবে ছড়াতে পারে। কন্ডম আপনাকে সঠিক পদ্ধতিতে ব্যবহার করতে হবে না হলে এটা কাজ করবে না।